2016 Gala Night

  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • 2015 Gala Night
  • Bookmark and Share

Film making workshop

  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night
  • 2011 Gala Night

District Tour

  • District Tour
  • District Tour
  • District Tour

problem viewing bengali

জীবনের জয়গান-২০১৭

বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশ

বাংলাদেশের পরতে পরতে ছড়িয়ে রয়েছে বৈচিত্র্য। দু’চোখ মেলে হৃদয় দিয়ে তা খুঁজে নিতে হয়। অবারিত সবুজের প্রান্তরে বয়ে চলা উতলা নদী, সমুদ্র, পাহাড়, বরেন্দ্র ভূমি উঁচু-নিচু এলাকার মধ্যে অপার বৈচিত্র্য মিশে আছে। এলাকাভিত্তিক নানা রকমের সংস্কৃতির মিশেল রয়েছে বাংলাদেশজুড়ে। বৈশাখসহ বিভিন্ন উৎসবে বৈচিত্র্যময় আয়োজন চলে পুরো দেশে, বিভিন্নভাবে উদযাপিত হয় উৎসব। মুগ্ধতা ছড়িয়ে যায় উৎসবের বৈচিত্র্যে।

শুধু প্রকৃতি আর উৎসবের আয়োজন নয়, বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকার রান্না, রীতি-নীতি আর পোশাকের মধ্যেও খুঁজে পাওয়া যায় অনেক বৈচিত্র্য। একেক ঋতুও একেক রকমের পরিবেশ সৃষ্টি করে। চোখ মেললেই খুঁজে পাওয়া যায় ঋতুর বৈচিত্র্য। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পুরো বাংলাদেশ ছুঁয়ে অজস্র বৈচিত্র্যময় বিষয়ের মজা পাওয়া যাবে। মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ পুরনো বিখ্যাত স্থাপনার মধ্যে অনেক বৈচিত্র্য মিশে রয়েছে। জারি-সারি, ভাটিয়ালি, রাখালী গানের মধ্যে রয়েছে বৈচিত্র্য। এর শেষ নেই। বাংলাদেশের মতো এত বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যাবে না আর কোথাও। তাই জীবনের জয়গানের এবারের বিষয় ‘বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশ’।

জীবনের জয়গান উৎসব

জাতি হিসেবেই আমরা উৎসবপ্রবণ। উৎসবের আমেজ পেলেই আপামর জনসাধারণ এক হয়ে মেতে উঠি আনন্দে, বাঁধি জোট। এজন্যই প্রবাদ এসেছে, বারো মাসে তের পার্বণ। আমাদের জীবনের সবক্ষেত্রেই এই উৎসব আর আমাদের প্রভাব দেখতে পাই। ঋতুর ভিত্তিতে, মাসের ভিত্তিতে, ধর্মের ভিত্তিতে এমনকি জাতিগত চেতনার ভিত্তিতেও আমাদের উৎসব চলতেই থাকে। সব রং নিয়ে বৈশাখ, সাদা-কালো নিয়ে ফেব্রুয়ারি, লাল-সবুজে মার্চ আর ডিসেম্বর রাঙিয়ে যায়। ঈদের রং, পূজার রং, বড়দিনের রং মাতিয়ে যায় মন। আমাদের দেশের উৎসবগুলো যেমনি রঙিন, তেমনি বৈচিত্র্যে ভরপুর। এর সব নিয়েই আমরা সাজিয়েছি জীবনের জয়গান উৎসবকে। গত ৯ বছরে আমরা আলাদা বিষয়ে সাজিয়েছি আমাদের এই উৎসবকে। সেখানে বাংলাদেশের প্রকৃতি, উৎসব, ঐতিহ্য সবই আমরা তুলে ধরতে চেয়েছি আমাদের স্থিরচিত্র, গীতিকাব্য এবং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এভাবেই আমরা সবাইকে নিয়ে একটা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উদযাপন করছি জীবনের জয়গান উৎসব।

বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের কল্যাণে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে চলচ্চিত্র অতিপরিচিত। সবাই সিনেমা হলে বা টিভির পর্দায় বসে নায়ক-নায়িকার প্রেমের গল্প নিয়ে তৈরি চলচ্চিত্র দেখতে ব্যস্ত থাকেন আর ভাবেন চলচ্চিত্র মানেই এসব। কিন্তু চলচ্চিত্র মানেই শুধু নায়ক আর নায়িকার প্রেম নয়, এর পেছনে আরো অনেক হিসাব কাজ করে, অনেক চিন্তা কাজ করে, কাজ করে অনেক অনুভূতি। চলচ্চিত্রের সেই ধারাকে তুলে ধরতে দ্যা ডেইলি স্টার এবং স্ট্যার্ন্ডার্ড চার্টার্ড, বাংলাদেশ যৌথভাবে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করার পরিকল্পনা করে ২০০৮ সালে। বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় যেসব শিল্প একটু পিছিয়ে আছে, সেসব নিয়েই এই প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনায় করা হয়। চলচ্চিত্র, স্থিরচিত্র এবং গীতিকাব্য এই তিনটি বিভাগ নির্ধারণ করা হয় প্রতিযোগিতার। আর দশটি সাধারণ প্রতিযোগিতার মতো করেই শুরু হয় নতুন একটি প্রতিযোগিতা ‘জীবনের জয়গান’। পথ চলতে চলতে জীবনের জয়গান পার করে ফেলেছে ৯ বছর। পদার্পণ করেছে দশম বর্ষে। বেসরকারি আয়োজনে বাংলাদেশে এমন আয়োজন এটিই প্রথম এবং নিয়মিতভাবে উজ্জীবিত করে আসছে বাংলাদেশের লাখ লাখ তরুণ, প্রতিভাবান, মেধাবী আলোকচিত্র শিল্পী, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং গীতিকবিতার লেখকদের। সময়ের পরিক্রমা নতুনদের তুলে ধরাসহ নানা নতুন নতুন সংযোজনে ‘জীবনের জয়গান’ হয়ে উঠেছে অনন্য, আর দশটি প্রতিযোগিতার থেকে অনেক অনেক ঊর্ধ্বে।

জীবনের জয়গানের যে প্রচেষ্টা তা বহুগুনে সার্থক করে তুলেছেন এর বিজয়ীরা। ২০০৮ সালে জীবনের জয়গান চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতায় নবীন শাখার বিজয়ী এবং জীবনের জয়গান উৎসবের চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালার একজন অংশগ্রহণকারী সাদ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এখন ঘুরে বেড়াচ্ছেন চলচ্চিত্রের আন্তর্জাতিক পরিম-লে। তার নির্মিত চলচ্চিত্র এখন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে প্রদর্শিত হচ্ছে, জিতে নিচ্ছে পুরস্কারও। ২০১৭ সালে ৭০তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালায় সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে জীবনের জয়গান চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা ২০১৬-এর বিজয়ী লুবনা শারমিন। প্রতি বছরই জীবনের জয়গান চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে থেকে একজন সুযোগ পাবে এই কর্মশালায় অংশগ্রহণের। আর এই কর্মশালায় অংশ নেয়ার সব খরচই বহন করে কর্মশালার আয়োজক কর্তৃপক্ষ। আলোকচিত্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা নিয়মিতভাবেই আন্তর্জাতিক পরিম-লে উজ্জ্বল করছেন বাংলাদেশের মুখ। যেসব নিয়মিত আলোকচিত্রীগণ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন তারা তো বটেই, বিজয়ী নতুন অনেক আলোকচিত্রীও এখন কাজ করে যাচ্ছেন সুনামের সঙ্গে। গীতিকাব্য বিভাগে বিজয়ীদের একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লেখক বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের। তাদের লেখা দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন জীবনের জয়গান গীতিকাব্য বিভাগের বিচারকগণ। বিজয়ীদের অনেকেই এখন নিয়মিতভাবে গান লিখছেন। নিয়মিতভাবে যারা লেখালেখি করেন তাদের মাঝেও এই প্রতিযোগিতা নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই। এই পুরস্কার এখন হয়ে উঠেছে সম্মানের প্রতীক।

প্রতি বছর হাজার হাজার কাজ জমা পড়ে এই প্রতিযোগিতার জন্য। নতুন কিংবা পুরনো, যে যেমনই হোক না কেন, এই তিন বিষয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া এবং জেতা তাদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার। আমরা সত্যিই খুবই আনন্দিত লাখ মানুষের এমন আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে পেরে। ২০০৮ সাল থেকে শুরু করে প্রতি বছর প্রতিযোগিতা হয়েছে আলাদা বিষয়ের ওপর। বিষয়গুলো হলঃ

২০০৮ - বাংলাদেশ, আমার ভালোবাসা

২০০৯ - সেলিব্রেটিং ওমেনহুড

২০১০ - অদম্য বাংলাদেশ

২০১১ - বাংলাদেশের নদী ও প্রকৃতির জয়গান

২০১২ - তারুণ্যের জয়গান

২০১৩ - নারীর ক্ষমতায়

২০১৪ - সমতায় বসবাস

২০১৫ - বাংলাদেশের ঐতিহ্য

২০১৬ - পরিবর্তনে তারুণ্য

এরই ধারাবাহিকতায় জীবনের জয়গান উৎসবের এ বছরের বিষয় ‘বৈচিত্র্যময় বাংলাদেশ’।

প্রতিযোগিতার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে এর পুরস্কার অঙ্কও। ২০১৬ সাল থেকে আলোকচিত্র এবং গীতিকাব্য বিভাগের প্রথম পুরস্কার বিজয়ীর হাতে তুলে দেয়া হয় এক লাখ টাকা। এই দুটি বিভাগেই দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী পান যথাক্রমে পঁচাত্তর হাজার এবং পঞ্চাশ হাজার টাকা। চলচ্চিত্র বিভাগে প্রামাণ্যচিত্র এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পায় দুই লাখ টাকা করে এবং শ্রেষ্ঠ নবাগত চলচ্চিত্র পায় পঞ্চাশ হাজার টাকা করে। আজীবন সম্মাননা পুরস্কারসহ ২০১৬ সালে মোট পুরস্কার অঙ্ক ছিল ১২ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা। সঙ্গে ২০১৬ সালের মোট বিজয়ী ২১ জনের প্রত্যেকে পেয়েছেন ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট।

আজীবন সম্মাননা পুরস্কার

আমরা সম্মানিত চলচ্চিত্র বা টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, স্থিরচিত্র এবং গীতিকাব্যের জন্য কৃতী ব্যক্তিদের আজীবন সম্মাননা প্রদান করতে পেরে। নিজ নিজ ক্ষেত্রে মহৎ কর্মের মাধ্যমে যারা স্বকীয় স্থান ধরে রেখেছেন আজীবন সম্মাননা তাদেরই জন্য। ২০১০ সাল থেকে জীবনের জয়গান উৎসবের নতুন সংযোজনা এই পুরস্কার। অর্থ বা ক্রেস্ট তাদের অর্জনের কাছে খুবই ¤্রয়িমাণ। আমাদের প্রচেষ্টা শুধুই তাদের সম্মান জানানো, আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানানো।

চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র : শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কৃত হবে দুটি চলচ্চিত্র। একটি প্রামাণ্যচিত্র ও একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যার সময়সীমা ২০ থেকে ৪৫ মিনিটের মধ্যে থাকতে হবে। শ্রেষ্ঠ নবাগত চলচ্চিত্র : এ বিভাগে কেবল তরুণ বা নবাগত পরিচালকরা তাদের নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র বা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র জমা দিতে পারবেন। নবীন চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে পুরস্কারের মানদ- হবে নতুনত্ব ও স্বকীয়তা। এটির সময়সীমা হতে হবে ৩ থেকে ১২ মিনিট।
অবশ্যই চলচ্চিত্র ডিভিডি আকারে জমা দিতে হবে। বিজয়ী চলচ্চিত্রকারকে পরে অবশ্যই তার মূল কপি (ডিভিডি/মাস্টার কপি) প্রদান করতে হবে। শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রের পুরস্কার ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা এবং বিজয়ী নির্মাতাকে পরবর্তী কাজের জন্য অতিরিক্ত ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা অনুদান দেয়া হবে। নবাগত শাখার দুটি চলচ্চিত্রের জন্য পুরস্কারের মূল্য ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা। এ ছাড়াও বিজয়ীরা পাবেন সনদপত্র ও ক্রেস্ট। আবেদনের শেষ সময় ৩১ আগস্ট ২০১৭।

স্থিরচিত্র/আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা

এ প্রতিযোগিতায় ১ জন আলোকচিত্র শিল্পী সর্বোচ্চ ৩টি ছবি জমা দিতে পারবেন। বিচারকম-লী তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে ৩ জন বিজয়ীকে সনদপত্র, ক্রেস্ট ও অর্থ প্রদান করবেন। বিজয়ী আলোকচিত্র শিল্পী পাবেন ১,০০,০০০ (এক লাখ) টাকা, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী পাবেন যথাক্রমে ৭৫,০০০ (পঁচাত্তর হাজার) টাকা ও ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা। এছাড়া ৯ জন আলোকচিত্র শিল্পীকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেয়া হবে। কেবল ন্যূনতম ৩০০ পিক্সেল রেজ্যুলেশনে ডিজিটাল ফরমেটের ছবি সিডি বা ডিভিডি আকারে জমা দিতে হবে কিংবা ই-মেইল করতে হবে। ছবি জমা দেয়ার পর তা যদি বিষয় সংশ্লিষ্ট না হয়, তবে স্বাভাবিকভাবেই বিচারকদের কাছে তা অগ্রাধিকার পাবে না। কোনো ছবি ফেরত দেয়াও হবে না। আবেদনের শেষ সময় ৩১ আগস্ট ২০১৭।



গীতিকাব্য প্রতিযোগিতা

একজন অংশগ্রহণকারী সর্বোচ্চ ৩টি গীতিকাব্য জমা দিতে পারবেন। গীতিকাব্যের ভাষা বাংলা বা ইংরেজি যে কোনোটাই হতে পারে। বিচারকম-লী ৩ জন বিজয়ী নির্ধারণ করবেন। বিজয়ীদের ১ম পুরস্কার ১,০০,০০০ (এক লাখ) টাকা, ২য় স্থান অধিকারী পাবেন ৭৫,০০০ (পঁচাত্তর হাজার) টাকা ও ৩য় স্থান অধিকারী পাবেন ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা। এছাড়াও আরো ৭ জনকে ক্রেস্ট ও সনদপত্র দেয়া হবে। গীতিকাব্য/গানের কথা জমা দেয়ার সময় তা কাগজে কম্পোজ করে পাঠাতে হবে অথবা পিডিএফ ফরমেটে মেইল করতে হবে। নির্বাচিত গীতিকাব্য নিয়ে সুপরিচিত সঙ্গীতকার এবং শিল্পীরা গান তৈরি করবেন এবং তা সিডি আকারে প্রকাশ করা হবে। এরপর বিভিন্ন সময়ে তা নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা শহরে কনসার্ট আয়োজন করা হবে। আবেদনের শেষ সময় ৩১ আগস্ট ২০১৭।



চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালা

চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালা আরো যুগোপযোগী করে আমরা সাজাচ্ছি। বিস্তারিত খুব শিগগিরই জানতে পারবেন আমাদের ওয়েবসাইট www.celebratinglifebd.com এই ঠিকানায়।

আগ্রহীরা আপনার বায়োডাটা ই-মেইল করে রাখতে পারেন এই ঠিকানায় : clfilmmaking.workshop@gmail.com আমরা অতিসত্বর যোগাযোগ করব আপনাদের সঙ্গে।
জীবনের জয়গান-এর নিয়ম ও নীতি/কীভাবে কাজ জমা দেবেন :

১. প্রতি বছর ৩১ আগস্টের মধ্যে দ্যা ডেইলি স্টার অফিসে কাজ জমা দিতে হয়।

২. জমা দেয়ার সময় খামের ওপর ¯পষ্ট অক্ষরে নাম, ঠিকানা, ই-মেইল, মোবাইল নাম্বার এবং রেজিস্ট্রেশন আইডি উল্লেখ করতে হয়। (সেলিব্রেটিং লাইফের ওয়েবসাইটে ঢুকে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করলে রেজিস্ট্রেশন আইডি নম্বর পাওয়া যাবে। এই নম্বরটি সংরক্ষণ করতে হয় এবং কাজ জমা দেয়ার সময় আইডি নম্বরটি অবশ্যই জমাকৃত কাজের ওপর লিখতে হয়)। এবং তার সঙ্গে যদি সিডি বা ডিভিডি সংযুক্ত করার প্রয়োজন হয়, তবে সেই সিডি বা ডিভিডির ওপরেও বিস্তারিত তথ্য লিখে দিতে হয়।

৩. সেলিব্রেটিং লাইফের খবর জানতে চোখ রাখুন দ্যা ডেইলি স্টার-এর পাতায়।

৪. এ উৎসবে যে কোনো প্রকার ব্যক্তিগত যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। যে কোনো তথ্যের প্রয়োজনে আমাদের ওয়েবসাইটে লগইন করতে হয়। যে কোনো প্রয়োজনীয় তথ্য আমরা ই-মেইলের মাধ্যমে দিয়ে থাকি। আমাদের ই-মেইল ঠিকানা : celebratinglife.contest@gmail.com । অথবা মেসেজ করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেইজ-এ। ফেসবুক পেইজ-এর ঠিকানা : www.facebook.com/celebratinglifecontests

৫. একই ব্যক্তি একই সঙ্গে চাইলে তিনটি বিষয়েই কাজ জমা দিতে পারেন।

৬. বয়স উন্মুক্ত এবং যে কোনো বাংলাদেশি বা বাংলাদেশে বসবাসরত প্রবাসীরাও কাজ জমা দিতে পারেন।

কাজ পাঠাবার ঠিকানা

রাফি হোসেন
পরিচালক, জীবনের জয়গান
দি ডেইলি স্টার, ৭ম তলা
৬৪-৬৫ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ
ঢাকা ১২১৫, বাংলাদেশ
celebratinglife.contest@gmail.com
www.celebratinglifebd.com

Go Top